অতিরিক্ত ঘুম আসে কেন?

সারাক্ষণ ঘুম পাওয়ার সমস্যাকে বলা হয় হাইপারসোমনিয়া। এই রোগে, আপনি রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরেও দিনে অতিরিক্ত তন্দ্রা অনুভব করেন।

এ কারণে আপনার দৈনন্দিন জীবন ও কাজকর্মও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অতিরিক্ত মদ্যপান, মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতার কারণেও এই সমস্যা হয়।

অতিরিক্ত ঘুম আসতে একাধিক কারণ থাকতে পারে

যেগুলি নিম্নোক্ত হতে পারে:

  1. দৈহিক অবস্থা: যদি আপনার দেহে শারীরিক অবস্থা কোনও সমস্যার সাথে সম্প্রসারিত হয়, তাহলে অতিরিক্ত ঘুম আসতে পারে। এই সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ উদাহরণ হলো শারীরিক দৌর্বল্য, প্রতিরোধশক্তি কম, গুরুত্বপূর্ণ পুরোষ্কার্য, জটিল স্থিতি এবং গতির অভাব।
  2. মানসিক তাণ্ডব: চিন্তা, চিন্তা বা মানসিক চাপের কারণে অতিরিক্ত ঘুম আসতে পারে। মানসিক তাণ্ডব যেহেতু মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তাই এটি ঘুমের গুনগত মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
  3. অন্যান্য কারণ: অতিরিক্ত ঘুম আসার অন্যান্য কারণও থাকতে পারে, যেমন জীবনযাপন, পরিবারের সমস্যা, পর্যাপ্ত শারীরিক বা মানসিক চাপ না দেওয়া, পর্যাপ্ত ব্যায়াম না করা, খাবারে যত্ন না নেয়া, ব্যাপার সমাধানের সমস্যা ইত্যাদি।

এই সব কারণের মধ্যে যে কোনও একটি বা একাধিক একটি কারণে অতিরিক্ত ঘুম আসতে পারে, এবং সেই কারণের মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা বা পরামর্শ প্রাপ্ত করা উচিত।

যদি আপনি অতিরিক্ত ঘুমের সমস্যা অবসর করতে সমস্যা অনুভব করেন, তবে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করাটি উচিত হতে পারে।

অতিরিক্ত ঘুমের সমস্যা বা নিদ্রাঘাতের বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে, এবং এই কারণগুলি ব্যক্তির জীবনধারার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।

নিম্নলিখিত কিছু সাধারণ কারণ অতিরিক্ত ঘুমের সমস্যা উত্পন্ন করতে পারে:

  1. পর্যাপ্ত শারীরিক কাজ: যদি আপনি দিনে যথাসম্ভব শারীরিক কাজ করা না করেন, তাহলে আপনার শরীরের শক্তি ব্যয় না হওয়া সত্ত্বেও আপনি সবুজ থাকার জন্য ঘুম আসতে পারে।
  2. নিদ্রা দুর্বলতা: অতিরিক্ত শারীরিক শ্রম বা মানসিক চিন্তা এড়িয়ে নেওয়া থাকতে পারে এবং নিদ্রাঘাতের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
  3. খাবার এবং পানীয় পদার্থের দ্বারা: অতিরিক্ত ক্যাফিন, শুগার, এবং অ্যালকোহল নিদ্রাঘাতের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
  4. চিন্তা এবং মানসিক চাপ: চিন্তা, মানসিক চাপ, অস্থিরতা, এবং মানসিক চাপ নিদ্রাঘাতের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
  5. পরিবার বা কর্মস্থলের চাপ: পরিবারের কাজের চাপ বা কর্মস্থলের চাপ নিদ্রাঘাতে দ্বিধা তৈরি করতে পারে।
  6. পর্যাপ্ত বা পর্যাপ্ত নিদ্রা: যদি আপনি পর্যাপ্ত নিদ্রা পান না, তাহলে নিদ্রাঘাতে সমস্যা হতে পারে।

অতিরিক্ত ঘুমের সমস্যার সমাধানের জন্য, আপনার জীবনধারার পরিবর্তন এবং নিদ্রার সুবিধাসম্পন্ন এবং নির্দিষ্ট নিয়মিত সময়ে ঘুম নেওয়ার চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

যদি আপনি দ্বারা সমস্যা সমাধান করতে সমর্থ না হন বা নিদ্রাঘাতের সমস্যা খোলার জন্য সাহায্য প্রয়োজন হলে, একজন চিকিৎসকে দেখাতে হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *