ডেঙ্গু জ্বর – কারন, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার

ডেঙ্গু জ্বর একটি ভাইরাসের সাথে সংক্রমণের সাধারণ একটি জনপ্রিয় রোগ যা এডিস মসকিটো দ্বারা ছড়ায়।

নিম্নলিখিত সম্পর্কে ডেঙ্গু জ্বরের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা এবং প্রতিকার বিস্তারিত জানা যাক:

ডেঙ্গু জ্বরের কারণ: ডেঙ্গু জ্বরের কারণ এডিস মসকিটো দ্বারা ছড়ায়া একটি ডেঙ্গু ভাইরাস, যা প্রাথমিকভাবে এডিস মসকিটো থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়। যখন একটি সংক্রমণযোগ্য মসকিটো একজন সুস্থ ব্যক্তির রক্তে ডেঙ্গু ভাইরাস চুপ চাপ লক্ষণ দেখাতে পায়, তখন সেই মসকিটো অন্য মানুষে ডেঙ্গু ছড়িয়ে দেয়।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ: ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ নিম্নলিখিত হতে পারে:

  1. জ্বর: ডেঙ্গু জ্বরে অধিকাংশ লোকের প্রাথমিক লক্ষণ হলো একটি উচ্চ জ্বর, যা আকারে বাড়তে পারে।
  2. শরীরে ব্যথা: প্রস্রাবনশীলতা, মাংশপেশী ব্যথা, এবং স্নায়ু ব্যথা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
  3. মাংশপেশী শূন্যতা: কিছু রোগীর চোখে সাদা পানি প্রস্রাবনশীলতা দেখা যায়, যা “মাংশপেশী শূন্যতা” নামে পরিচিত।
  4. স্বাস্থ্য পরীক্ষণে প্লেটলেট সংখ্যা নিম্ন: ডেঙ্গু রোগীর প্লেটলেট সংখ্যা অক্ষম হতে পারে, যা শরীরে রক্তশূন্যতা এবং সংক্রমণের বেড়ে উঠার জন্য সুযোগ দেয়।
  5. চর্মে লাল দানা: ডেঙ্গু জ্বরে চর্মে লাল দানা হতে পারে, যা প্রায়ই বেড়ে উঠে আসে জ্বরের পরের কিছু দিনে।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা: ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা প্রাথমিকভাবে ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ সামান্য এবং সহানুভূতিক চিকিৎসার মাধ্যমে করা হয়। ডেঙ্গু রোগীদের প্লেটলেট সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

ডেঙ্গু জ্বরের প্রতিকার: ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করতে নিম্নলিখিত কয়েকটি প্রতিকার নেওয়া যেতে পারে:

  1. এডিস মসকিটো সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য মশার জন্য নিশ্চিত প্রতিরোধ করুন।
  2. এডিস মসকিটো সংক্রমণের সময় লক্ষণ দেখা গেলে তা সাবধানভাবে চিকিৎসা নিন এবং প্লেটলেট সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
  3. প্রতিরোধ করতে সময় প্রাথমিক ধাত্রীকে প্রবৃদ্ধ করা যায়, এবং প্রাথমিক ধাত্রীকে প্রবৃদ্ধ করা যায়, এবং ডেঙ্গু ভ্যাকসিন বের করা যায় যা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বর একটি গম্ভীর সমস্যা হতে পারে, তাই লক্ষণ দেখা গিয়ে সাবধান থাকা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ দেখেন তবে দ্রুতই একজন চিকিৎসকে পরামর্শ নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *